জৈন্তাপুর উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা পদকের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক শিক্ষিকা ও বিদ্যালয় ঘোষণা
প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন এবং শিক্ষক সমাজের কর্মস্পৃহাকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে একটি চমৎকার স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা পদক আয়োজনের অংশ হিসেবে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শিক্ষিকা এবং শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সোমবার (২৫ মে) প্রাথমিক শিক্ষা পদক কমিটির সভাপতি ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুনন্দ্য রায়ের স্বাক্ষরিত এক তালিকায় এই গৌরবময় নামগুলো প্রকাশ করা হয়। স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন এই ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্মাননা উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক অগ্রগতি এবং শিক্ষকদের পেশাগত দায়িত্ববোধ আরও বৃদ্ধি করতে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী উপজেলার কহাইগড় ১ম খন্ড এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ বুরহান উদ্দিন শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক পুরুষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষিকা মহিলা বিভাগে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট অর্জন করেছেন ২নং জৈন্তাপুর এলাকার বাসিন্দা আয়েশা বেগম। অন্যদিকে দরবস্ত বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং চিকনাগুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মঞ্জুর আহমদ শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক পুরুষ নির্বাচিত হয়েছেন। এর পাশাপাশি পানিছড়া এলাকার বাসিন্দা ও প্রধান শিক্ষিকা মোবারকা সুরভী শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা মহিলা হিসেবে গৌরব অর্জন করেছেন। একই সাথে প্রাতিষ্ঠানিক সফলতার স্বীকৃতি স্বরূপ উপজেলার শ্রেষ্ঠ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে চিকনাগুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যার প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন মোহাম্মদ মঞ্জুর আহমদ।
প্রকাশিত এই তালিকায় কাব শিক্ষক, কাব শিক্ষিকা, কর্মচারী, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, ইন্সট্রাক্টর, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, সুপারিনটেনডেন্ট, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা প্রশাসক এবং পিটিআই ক্যাটাগরিতে কোনো নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি এবং সেখানে প্রযোজ্য নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশ ও বিদেশের পাঠকদের কাছে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এই শিক্ষা পদক প্রাপ্তির সংবাদটি ইতিমধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। কোমলমতি শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ার কারিগরদের এই অনন্য স্বীকৃতি কেবল তাদের ব্যক্তিগত অর্জন নয় বরং এটি জৈন্তাপুরের সামগ্রিক শিক্ষাঙ্গনের এক আলোকোজ্জ্বল গৌরবগাথা যা আগামী দিনের সুনাগরিক গড়ার পথকে আরও মসৃণ ও সুন্দর করে তুলবে।