ঈদের আনন্দ হবে দীর্ঘতর: এক দিনের ছুটিতেই টানা সাত দিনের অবসরে সরকারি চাকরিজীবীরা
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের খুশিতে যোগ হচ্ছে নতুন মাত্রা, যেখানে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অপেক্ষা করছে দীর্ঘ এক টানা ছুটির হাতছানি। ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার এবং চাঁদ দেখার সম্ভাব্য তারিখ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আগামী ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত মোট পাঁচ দিন নির্ধারিত রয়েছে ঈদের সরকারি ছুটি। তবে কর্মদিবসের মাঝখানের সামান্য বুদ্ধিমত্তায় এই ছুটি সাত থেকে দশ দিন পর্যন্ত দীর্ঘায়িত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা পরিবার-পরিজনের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করার এক সুবর্ণ সুযোগ এনে দিচ্ছে।
বর্ষপঞ্জিকা অনুযায়ী, ১৯ মার্চ থেকে ঈদের মূল ছুটি শুরু হলেও তার ঠিক দুদিন আগে ১৭ মার্চ রয়েছে পবিত্র শবে কদরের ছুটি। মাঝে কেবল ১৮ মার্চ (বুধবার) একটি কর্মদিবস। কোনো চাকরিজীবী যদি এই একদিনের নৈমিত্তিক ছুটি ব্যবস্থাপনা করতে পারেন, তবে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিনের এক লম্বা অবকাশ যাপনের সুযোগ পাবেন তিনি। যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি মুছে শেকড়ের টানে বাড়ি ফেরার জন্য এই বাড়তি একদিনের ছুটিই হতে পারে সবচেয়ে বড় স্বস্তির কারণ।
ছুটির এই সমীকরণ এখানেই শেষ নয়; ঈদের পরপরই ২৬ মার্চ উদযাপিত হবে মহান স্বাধীনতা দিবস। এরপর ২৭ ও ২৮ মার্চ যথাক্রমে শুক্র ও শনিবারের নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ঈদের সরকারি ছুটির পর ২৪ ও ২৫ মার্চ—এই মাত্র দুদিন অফিস করতে হবে। যদি কেউ এই দুদিনও ছুটির তালিকায় যুক্ত করতে পারেন, তবে ১৯ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিনের এক বিশাল মহোৎসবে মেতে ওঠার সুযোগ পাবেন তিনি।
ছুটি কেবল ক্যালেন্ডারের লাল হরফের নাম নয়, এটি আপনজনদের সান্নিধ্যে ফেরার এক আবেগঘন মাধ্যম। দীর্ঘদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে এক দশকের এই সম্ভাব্য অবকাশ যেন প্রতিটি ঘরে খুশির জোয়ার নিয়ে আসে। দূরপ্রবাস বা কর্মস্থল থেকে ফেরা মানুষগুলোর হাসিমুখ আর প্রিয়জনদের আলিঙ্গনে এবারের ঈদ হয়ে উঠুক উৎসব আর পরম প্রশান্তির এক মিলনমেলা।