যথা সময়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল
দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনসমূহ নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। পহেলা মার্চ দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের হাজিপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি সরকারের এই অবস্থানের কথা পরিষ্কার করেন।
জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত পুলিশ সদস্যদের বিষয়ে তদন্ত সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন যে এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছেন সেটিই কার্যকর হবে। বিষয়টি বর্তমানে আদালতের এখতিয়ারাধীন থাকায় আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং প্রয়োজনে আরও তদন্ত করা হবে। নিজের নির্বাচনী এলাকার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন যে ঠাকুরগাঁওবাসীর ভোটের মাধ্যমেই তিনি আজ জনসেবার এই মহান দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পেয়েছেন এবং তিনি এই অঞ্চলের মানুষের কাছে আজীবন ঋণী থাকবেন।
এর আগে দুপুরে মন্ত্রী ঠাকুরগাঁওয়ের তাঁতি পাড়ায় নিজ বাসভবনে পৌঁছালে পুলিশের একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং দলীয় নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সরদার মোস্তফা শাহীন পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন এবং এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন বিশ্বাসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্রের সুফল পৌঁছে দিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন এক বিশেষ ভূমিকা পালন করে। যখন জনপ্রতিনিধিরা জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন তখন উন্নয়ন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সহজ হয়। ঠাকুরগাঁওয়ের মাটিতে দাঁড়িয়ে মন্ত্রীর এই আশ্বাস স্থানীয় মানুষের মনে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সুযোগ্য নেতৃত্ব বেরিয়ে আসবে এবং প্রতিটি জনপদ উন্নয়নের আলোয় ভাস্বর হয়ে উঠবে এটিই এখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। পারস্পরিক শ্রদ্ধা আর সেবার মানসিকতা নিয়ে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আমাদের আগামীর অঙ্গীকার যাতে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত থাকে। ন্যায়ের পথে এই অগ্রযাত্রা যেন দেশের প্রতিটি প্রান্তে শান্তির সুবাতাস ছড়িয়ে দেয়।