বেগম খালেদা জিয়া, হানিফ সংকেত ও বশির আহমেদ পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার
নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারের মনোনীত তালিকা চূড়ান্ত করেছে সরকার। দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক এই সম্মাননায় এবার ভূষিত হতে যাচ্ছেন প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া (মরণোত্তর), জনপ্রিয় উপস্থাপক হানিফ সংকেত এবং প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী বশির আহমেদ (মরণোত্তর)।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী স্বাধীনতা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে অবিস্মরণীয় অবদানের জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), যার নাম তালিকার সাত নম্বরে রয়েছে। এরপরই আট নম্বরে স্থান পেয়েছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীত ব্যক্তিত্ব বশির আহমেদ। ব্যক্তিগত কৃতিত্বের পাশাপাশি জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের জন্য বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানকেও এই পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা হয়েছে।
১৯৭৭ সাল থেকে শুরু হওয়া এই পদক বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে প্রতি বছর ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসে প্রদান করা হয়। এটি রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা।
গুণীজনের সম্মাননা কেবল তাঁদের কাজের স্বীকৃতি নয় বরং এটি জাতির কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি মাধ্যম। ইতিহাসের পাতায় যাঁদের নাম উজ্জ্বল হয়ে আছে তাঁদের এই রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন নতুন প্রজন্মের কাছে দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠার এক অনন্য বার্তা পৌঁছে দেবে। মাটির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হাতে যখন সর্বোচ্চ সম্মান পৌঁছে যায় তখন সমগ্র জাতি গর্বিত বোধ করে। এই মহানায়কদের আদর্শ আমাদের সামনের পথ চলায় চিরকাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।