বৃহস্পতিবার , ৩০ জুলাই ২০২৬
 বৃহস্পতিবার , ৩০ জুলাই ২০২৬
সাম্প্রতিক
জৈন্তাপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাদক ও চোরাচালান রোধে কঠোর সিদ্ধান্তের অঙ্গীকার জৈন্তাপুরে পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় জিরা ও ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেফতার অপরাজিত থাকার নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন সাময়িক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুযোগে চীনে ইরানের বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল রপ্তানি বাংলাদেশের সাধারণ পাসপোর্টের পাতায় যুক্ত হচ্ছে জুলাই গণ অভ্যুত্থানের বীর শহীদদের প্রতিচ্ছবি নিহত সেনাসদস্যদের স্মরণে ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে বিধ্বংসী সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভূরাজনৈতিক সংঘাত ও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে বড় লাফ দেশের ১৭টি অঞ্চলে তীব্র ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস ও নদী বন্দরে সতর্ক সংকেত জারি বিশ্বকাপ জয়ের পরম আনন্দক্ষণে নিজের ট্রফি আদর্শ নেইমারকে উৎসর্গ করলেন স্প্যানিশ উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামস নেপথ্য নায়কদের গ্লাভসযুদ্ধে নির্ধারণ হবে বিশ্বসেরার মুকুট এমবাপ্পের কীর্তিতে ফাইনালের আগে রেকর্ড ও গোল্ডেন বুটের দৌড়ে পিছিয়ে মেসি মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার আবেগ ও স্পেনের গাণিতিক কৌশলের মহাদ্বৈরথ লিওনেল মেসি ও লামিনে ইয়ামালের মহাদ্বৈরথ ঘিরে বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের দাম রেকর্ড ৭৪ লাখে পৌরসভা গঠনের ঐতিহাসিক গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সিলেটের জৈন্তাপুরবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের চূড়ান্ত বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে সংবিধান সংস্কার নয় সংশোধন চায় বিএনপি জানালেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশদ্বারের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণ ঘিরে বিভ্রান্তি নতুন ভোটার হওয়ার সুযোগ ঘোষণা করে চূড়ান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করল নির্বাচন কমিশন আগস্ট মাসে দুই দফায় টানা চার দিন করে দীর্ঘ ছুটির দারুণ সুযোগ মিলছে চাকরিজীবীদের দেশের ১৩টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে তীব্র দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর জৈন্তাপুরে জুলাই শহীদ দিবস পালিত ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় জৈন্তাপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ অস্থায়ী পশুর হাটে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান জৈন্তাপুরে মানবপাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে টাস্কফোর্সের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শাজাহান সিরাজের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শাজাহান সিরাজের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শাজাহান সিরাজের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
হোমপরিবেশএক মাসে ১০ বার ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ বড় দুর্যোগের শঙ্কায় বিশেষজ্ঞরা

এক মাসে ১০ বার ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ বড় দুর্যোগের শঙ্কায় বিশেষজ্ঞরা

আইকন
ন্যাশনাল বার্তা
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন
এক মাসে ১০ বার ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ বড় দুর্যোগের শঙ্কায় বিশেষজ্ঞরা

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সাতাশ দিনেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত মোট দশবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে। সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী ঘন ঘন এই ভূকম্পনের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অধিকাংশ কম্পনের মাত্রা মৃদু থেকে মাঝারি হলেও সাতাশ ফেব্রুয়ারি দুপুরে অনুভূত হওয়া ৫ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পটি জনমনে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সাতাশ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে অনুভূত হওয়া এই কম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলা।

ফেব্রুয়ারি মাসের এই ধারাবাহিক কম্পনের তালিকায় সাতাশ তারিখের আগে ছাব্বিশ ফেব্রুয়ারি দুপুরেও ৪ দশমিক ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে যার কেন্দ্রস্থল ছিল ভারতের সিকিম অঞ্চল। এর ঠিক আগের দিন পঁচিশ ফেব্রুয়ারি রাতে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে সৃষ্ট কম্পন ঢাকাসহ সারা দেশে অনুভূত হয়। মাসের শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে কম্পন অনুভূত হওয়ার এই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিন ফেব্রুয়ারি একদিনেই তিনবার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে যার মধ্যে দুটি ছিল মিয়ানমারে এবং একটি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায়। এছাড়া সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলেও একাধিকবার মৃদু ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এই ঘন ঘন কম্পনগুলো বড় কোনো দুর্যোগের পূর্বাভাস হতে পারে। ভূতত্ত্ববিদরা সতর্ক করে জানিয়েছেন যে ছোট ছোট এই কম্পনগুলো মাটির নিচের টেকটোনিক প্লেটের অস্থিরতাকে নির্দেশ করে। রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতে অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণের কারণে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে। তাই এখনই ভবন নির্মাণ বিধিমালা কঠোরভাবে মেনে চলা এবং সরকারি পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি জোরদার করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

প্রকৃতির এই নিরব সতর্কবার্তা আমাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার জন্য এক বড় পরীক্ষা। যদিও ভূমিকম্পের সুনির্দিষ্ট পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয় তবুও সচেতনতা ও সঠিক প্রস্তুতিই পারে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে। মাটির নিচের এই কম্পন যেন আমাদের দায়িত্ববোধকে জাগিয়ে তোলে এবং নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আমরা আরও যত্নশীল হই এটিই এখন কাম্য। সময়ের এই দাবি অবহেলা করলে বড় কোনো বিপর্যয়ে অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। তাই দুর্যোগ মোকাবিলায় ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও দূরদর্শী পরিকল্পনাই এখন বাঁচার একমাত্র পথ।