বুধবার , ২৯ জুলাই ২০২৬
 বুধবার , ২৯ জুলাই ২০২৬
সাম্প্রতিক
জৈন্তাপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাদক ও চোরাচালান রোধে কঠোর সিদ্ধান্তের অঙ্গীকার জৈন্তাপুরে পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় জিরা ও ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেফতার অপরাজিত থাকার নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন সাময়িক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুযোগে চীনে ইরানের বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল রপ্তানি বাংলাদেশের সাধারণ পাসপোর্টের পাতায় যুক্ত হচ্ছে জুলাই গণ অভ্যুত্থানের বীর শহীদদের প্রতিচ্ছবি নিহত সেনাসদস্যদের স্মরণে ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে বিধ্বংসী সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভূরাজনৈতিক সংঘাত ও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে বড় লাফ দেশের ১৭টি অঞ্চলে তীব্র ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস ও নদী বন্দরে সতর্ক সংকেত জারি বিশ্বকাপ জয়ের পরম আনন্দক্ষণে নিজের ট্রফি আদর্শ নেইমারকে উৎসর্গ করলেন স্প্যানিশ উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামস নেপথ্য নায়কদের গ্লাভসযুদ্ধে নির্ধারণ হবে বিশ্বসেরার মুকুট এমবাপ্পের কীর্তিতে ফাইনালের আগে রেকর্ড ও গোল্ডেন বুটের দৌড়ে পিছিয়ে মেসি মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার আবেগ ও স্পেনের গাণিতিক কৌশলের মহাদ্বৈরথ লিওনেল মেসি ও লামিনে ইয়ামালের মহাদ্বৈরথ ঘিরে বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের দাম রেকর্ড ৭৪ লাখে পৌরসভা গঠনের ঐতিহাসিক গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সিলেটের জৈন্তাপুরবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের চূড়ান্ত বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে সংবিধান সংস্কার নয় সংশোধন চায় বিএনপি জানালেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশদ্বারের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণ ঘিরে বিভ্রান্তি নতুন ভোটার হওয়ার সুযোগ ঘোষণা করে চূড়ান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করল নির্বাচন কমিশন আগস্ট মাসে দুই দফায় টানা চার দিন করে দীর্ঘ ছুটির দারুণ সুযোগ মিলছে চাকরিজীবীদের দেশের ১৩টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে তীব্র দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর জৈন্তাপুরে জুলাই শহীদ দিবস পালিত ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় জৈন্তাপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ অস্থায়ী পশুর হাটে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান জৈন্তাপুরে মানবপাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে টাস্কফোর্সের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শাজাহান সিরাজের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শাজাহান সিরাজের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শাজাহান সিরাজের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
হোমআইন আদালতমানবাধিকার অধ্যাদেশ অক্ষুণ্ণ রাখার দাবি: ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা নিয়ে এনএইচআরসিতে উদ্বেগ

মানবাধিকার অধ্যাদেশ অক্ষুণ্ণ রাখার দাবি: ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা নিয়ে এনএইচআরসিতে উদ্বেগ

আইকন
ন্যাশনাল বার্তা
০৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
মানবাধিকার অধ্যাদেশ অক্ষুণ্ণ রাখার দাবি: ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা নিয়ে এনএইচআরসিতে উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষিত মানবাধিকার সংক্রান্ত নতুন অধ্যাদেশগুলো সংসদে আইনে রূপান্তরের সময় যদি ক্ষমতা খর্ব করা হয়, তবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন পুনরায় একটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ও মানবাধিকার কর্মীরা। বৃহস্পতিবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সম্মেলন কক্ষে নবনিযুক্ত চেয়ারপার্সন ও কমিশনারদের সাথে ভুক্তভোগী ও তাদের স্বজনদের এক মতবিনিময় সভায় এই দাবি তোলা হয়।

সভায় বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধ অধ্যাদেশসমূহ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সংসদে পাস করতে হবে। র‍্যাবের গুলিতে পা হারানো লিমনসহ উপস্থিত ভুক্তভোগীরা জানান, নতুন এই অধ্যাদেশগুলো কমিশনকে শক্তিশালী করেছে এবং তাদের মতো সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথ সুগম করেছে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনরা বর্তমান কমিশনারদের অতীত কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তাদের ওপর আস্থা প্রকাশ করেন এবং কমিশনের স্বাধীন কার্যকারিতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

মতবিনিময় সভায় ভুক্তভোগীরা অতীতে আইনি সীমাবদ্ধতা ও ক্ষমতার অভাবে প্রতিকার না পাওয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এর জবাবে কমিশনের চেয়ারপার্সন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বর্তমান কমিশন মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তিদের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেবে এবং সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলো অক্ষুণ্ণ রেখে দ্রুত আইনে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। কমিশনার মো. নূর খান ও অন্যান্য সদস্যগণও ভুক্তভোগীদের আশ্বস্ত করেন যে, কমিশন কোনো ধরনের চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না এবং পক্ষপাতহীনভাবে কাজ করবে।

সভায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র, অধিকার এবং ব্লাস্টসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু, গুম এবং জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের দাবি ও সুপারিশ পেশ করেন। কমিশন পক্ষ থেকে নিয়মিত এমন আলোচনার মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের কণ্ঠস্বরকে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

বিচারের দাবি নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ানো এই মানুষগুলোর চোখে আজ নতুন করে আশার আলো দেখা দিয়েছে। আইনের শাসন আর মানবিক মর্যাদার এই লড়াইয়ে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান যদি সাহসিকতার সাথে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তবেই একটি শোষণমুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব হবে। স্বজন হারানোদের অশ্রু আর আর্তনাদ যেন ক্ষমতার বেড়াজালে চাপা না পড়ে, এটাই হোক আগামীর ন্যায়বিচারের মানদণ্ড।