মঙ্গলবার , ১৪ এপ্রিল ২০২৬
 মঙ্গলবার , ১৪ এপ্রিল ২০২৬
সাম্প্রতিক
ছাতকের বৌলায় ঐতিহ্যবাহী রশি টান প্রতিযোগিতা সম্পন্ন: চ্যাম্পিয়ন হেমার একাদশ জৈন্তাপুরে প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান: জরিমানা ও কারাদণ্ডসহ আইনি কঠোরতা জৈন্তাপুরে বসতবাড়িতে ইয়াবা বিক্রির আসর: পুলিশের অভিযানে দম্পতি গ্রেপ্তার বিশ্বনাথে আন্তর্জাতিক স্বর্ণজয়ী শাটলার তানভীরকে রাজকীয় সংবর্ধনা: ইনডোর স্টেডিয়ামের দাবি বৃহত্তর জৈন্তিয়া উন্নয়ন পরিষদের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল দীর্ঘ ৪০ দিনের অবরুদ্ধ দশা শেষে মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত পবিত্র আল আকসা প্রখর রোদে তপ্ত হচ্ছে প্রকৃতি: টানা কয়েকদিন দেশজুড়ে বইতে পারে তাপপ্রবাহ ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক আলোচনা: বিশ্বশান্তির পথে এক নতুন সমীকরণ বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া হকার উচ্ছেদ মানবিক সংকট তৈরি করছে: সাইফুল হক ইসলামাবাদে ইরান যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার মাহেন্দ্রক্ষণ: একে বাঁচা মরার লড়াই বললেন শাহবাজ শরিফ সংসদের চলতি অধিবেশনে রেকর্ড সংখ্যক বিল পাশ: জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণে বিশেষ আইন প্রণয়ন প্রবাসী বাংলাদেশি নারী হত্যাকাণ্ড নিয়ে ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্য ও অভিবাসন বিতর্ক সমুদ্রপথে ইউরোপ যাত্রার রঙিন স্বপ্নে বিভীষিকা: জিম্মি ও নির্যাতনের শিকার ৮০ শতাংশ বাংলাদেশি গোয়াইনঘাটে অপহরণ ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য রুখতে জনমানুষের সোচ্চার প্রতিবাদ হরিপুর বাজারে নামাজের সময় বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থগিতের অনন্য সিদ্ধান্ত জৈন্তাপুরের বিশিষ্ট মুরব্বি আব্দুল ফাত্তাহর প্রয়াণে এলাকায় শোকের ছায়া বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, আকাশ বিজয় ২০২৬, সামরিক মহড়া, আকাশ প্রতিরক্ষা, জাতীয় নিরাপত্তা মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সাথে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর বৈঠক ও কুয়ালালামপুর সফরের আমন্ত্রণ চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে ওয়াশিংটনকে কাঠগড়ায় তুলল তেহরান ও মধ্যপ্রাচ্যে অনিশ্চয়তার নতুন মেঘ* সারা দেশে তীব্র গতিবেগে কালবৈশাখী ঝড়ের সতর্কবার্তা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান গাজায় ইসরায়েলি অভিযানে নিহতের তালিকায় আরও এক সংবাদকর্মী ও পেশাদারিত্বের চরম মূল্য উড্ডয়নের পূর্বমুহূর্তে যাত্রীর আকস্মিক অসুস্থতা ও রানওয়ে থেকে বিমানের প্রত্যাবর্তন* উড্ডয়নের পূর্বমুহূর্তে যাত্রীর আকস্মিক অসুস্থতা ও রানওয়ে থেকে বিমানের প্রত্যাবর্তন* বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও মুদ্রার অবমূল্যায়নে অর্থনীতিতে বহুমুখী চাপের আশঙ্কা ব্যক্তি নয় বরং পরিবারের সামগ্রিক উন্নয়নই সরকারের মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী
হোমআইন আদালতমানবাধিকার অধ্যাদেশ অক্ষুণ্ণ রাখার দাবি: ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা নিয়ে এনএইচআরসিতে উদ্বেগ

মানবাধিকার অধ্যাদেশ অক্ষুণ্ণ রাখার দাবি: ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা নিয়ে এনএইচআরসিতে উদ্বেগ

আইকন
ন্যাশনাল বার্তা
০৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
মানবাধিকার অধ্যাদেশ অক্ষুণ্ণ রাখার দাবি: ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা নিয়ে এনএইচআরসিতে উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষিত মানবাধিকার সংক্রান্ত নতুন অধ্যাদেশগুলো সংসদে আইনে রূপান্তরের সময় যদি ক্ষমতা খর্ব করা হয়, তবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন পুনরায় একটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ও মানবাধিকার কর্মীরা। বৃহস্পতিবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সম্মেলন কক্ষে নবনিযুক্ত চেয়ারপার্সন ও কমিশনারদের সাথে ভুক্তভোগী ও তাদের স্বজনদের এক মতবিনিময় সভায় এই দাবি তোলা হয়।

সভায় বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধ অধ্যাদেশসমূহ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সংসদে পাস করতে হবে। র‍্যাবের গুলিতে পা হারানো লিমনসহ উপস্থিত ভুক্তভোগীরা জানান, নতুন এই অধ্যাদেশগুলো কমিশনকে শক্তিশালী করেছে এবং তাদের মতো সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথ সুগম করেছে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনরা বর্তমান কমিশনারদের অতীত কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তাদের ওপর আস্থা প্রকাশ করেন এবং কমিশনের স্বাধীন কার্যকারিতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

মতবিনিময় সভায় ভুক্তভোগীরা অতীতে আইনি সীমাবদ্ধতা ও ক্ষমতার অভাবে প্রতিকার না পাওয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এর জবাবে কমিশনের চেয়ারপার্সন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বর্তমান কমিশন মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তিদের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেবে এবং সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলো অক্ষুণ্ণ রেখে দ্রুত আইনে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। কমিশনার মো. নূর খান ও অন্যান্য সদস্যগণও ভুক্তভোগীদের আশ্বস্ত করেন যে, কমিশন কোনো ধরনের চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না এবং পক্ষপাতহীনভাবে কাজ করবে।

সভায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র, অধিকার এবং ব্লাস্টসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু, গুম এবং জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের দাবি ও সুপারিশ পেশ করেন। কমিশন পক্ষ থেকে নিয়মিত এমন আলোচনার মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের কণ্ঠস্বরকে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

বিচারের দাবি নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ানো এই মানুষগুলোর চোখে আজ নতুন করে আশার আলো দেখা দিয়েছে। আইনের শাসন আর মানবিক মর্যাদার এই লড়াইয়ে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান যদি সাহসিকতার সাথে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তবেই একটি শোষণমুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব হবে। স্বজন হারানোদের অশ্রু আর আর্তনাদ যেন ক্ষমতার বেড়াজালে চাপা না পড়ে, এটাই হোক আগামীর ন্যায়বিচারের মানদণ্ড।