জিয়াউর রহমানের আদর্শে খাল খনন বিপ্লব ফিরছে; ১৮০ দিনের চ্যালেঞ্জ নিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সূচিত ঐতিহাসিক 'খাল খনন কর্মসূচি' আবারও দেশব্যাপী এক মহা-বিপ্লব হিসেবে ফিরে আসছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, জাতীয় পর্যায়ে নদী, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচি সর্বোচ্চ ১৮০ দিনের মধ্যেই দৃশ্যমান রূপ পাবে।
মন্ত্রী বলেন, "শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তাঁর জীবদ্দশায় খাল খনন কর্মসূচিকে বাংলাদেশে একটি মহা-বিপ্লবে পরিণত করেছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে এই উদ্যোগ বন্ধ থাকায় দেশবাসী জলাবদ্ধতা, সেচ সংকট এবং জলাশয়ে পানি না থাকার সমস্যায় ভুগছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, এই খাল খনন প্রক্রিয়াকে পুনরুজ্জীবিত করে জনগণের দোরগোড়ায় এর সুফল পৌঁছে দেবেন।"
কর্মসূচির মূল পরিকল্পনা ও সমন্বয়:
* সমন্বিত উদ্যোগ: এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে চারটি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে। এগুলো হলো— পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
* সময়সীমা: আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং পরবর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে কাজ দৃশ্যমান করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
* বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: খাল খননের পাশাপাশি আগামী ৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের একটি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাও এই সভায় গৃহীত হয়েছে।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জোর দিয়ে বলেন, কেবল পরিকল্পনা নয়, মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করে শিগগিরই এর দৃশ্যমান সাফল্য দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা হবে। এই উদ্যোগের ফলে দেশের কৃষি উৎপাদনে যেমন বিপ্লব আসবে, তেমনি ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষা ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য যে, নবগঠিত সরকারের এটিই প্রথম বড় কোনো সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প হতে যাচ্ছে, যা সরাসরি তৃণমূলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের সাথে জড়িত।