সম্প্রীতি ও সংহতির বন্ধনে জৈন্তাপুরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের দোয়া ও ইফতার মাহফিল
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ৬নং চিকনাগুল ইউনিয়নের ৮ ও ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনসমূহের যৌথ উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য দোয়া ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় পর্যায়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে এক উৎসবমুখর এবং আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের এক অনন্য মেলবন্ধন দেখা যায় এই আয়োজনে।
ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা যুবদল নেতা নজরুল ইসলাম চৌধুরীর সাবলীল সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। মাহফিলে বক্তারা রমজানের মহান শিক্ষা তথা আত্মসংযম ও সহমর্মিতার ওপর আলোকপাত করে বলেন, ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ইসলামের সুমহান আদর্শ ধারণ করার মাধ্যমেই একটি সুন্দর ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠন সম্ভব। তারা দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
উক্ত মাহফিলে উপস্থিত থেকে সংহতি প্রকাশ করেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. শাহজাহান, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম লিটু এবং উপজেলা যুবদল নেতা ময়নুল ইসলাম। এছাড়াও সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শনে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আহমদ মাধু, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাদেক আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সজিব আলী, ফয়েজ আহমদ, কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক এবং যুবদল নেতা মজনু আহমদ, আব্দুল জব্বার ও কবির আহমদ।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণসঞ্চার করতে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জুয়েল আহমদ, সদস্য সচিব শাকিল আহমদ, যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল ইসলাম, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার আলী, সাধারণ সম্পাদক দিলদার আহমদ, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আদনান শাব্বির এবং সাধারণ সম্পাদক রিমন আহমদ। এছাড়াও উপজেলা জাসাসের সহ সভাপতি কামরান আহমদসহ স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও তাঁতীদলের বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক এই ইফতার মাহফিলে শরিক হন।
দিনের শেষে মোনাজাতে দেশ ও জনগণের নিরাপত্তা, শান্তি এবং স্থিতিশীলতা কামনায় মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে নেতাকর্মীদের এই মিলনমেলা কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করার এক শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়। রমজানের এই পবিত্রতা ও ত্যাগের মহিমা প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে দেশপ্রেম ও মানবতার নতুন আলো জ্বালিয়ে দিক, এই প্রার্থনার মধ্য দিয়েই সমাপ্ত হয় আয়োজনটি।