বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ে তারেক রহমানকে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ঐতিহাসিক বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েক। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই শুভকামনা জানান। লঙ্কান প্রেসিডেন্ট তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন যে নির্বাচনে বিএনপির এই বিশাল জয় মূলত দলটির সুযোগ্য নেতৃত্বের প্রতি জনগণের গভীর আস্থারই বহিঃপ্রকাশ। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে গণতন্ত্রের প্রতি যে সুদৃঢ় বিশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেছেন তার জন্য তিনি দেশবাসীকেও অভিনন্দন জানান।
শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট তাঁর শুভেচ্ছা বার্তায় দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আগামী দিনে আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে নিজের গভীর আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন যে তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক সেতুবন্ধন আরও সুসংহত হবে। দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশের এই নতুন রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে শ্রীলঙ্কার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করা হয়েছে।
বিপুল জনসমর্থন নিয়ে গঠিত নতুন এই সরকারের হাত ধরে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। আঞ্চলিক সমৃদ্ধি অর্জনে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর এমন সংহতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। জনরায়ের এই সম্মান প্রদর্শন প্রকারান্তরে দুই দেশের জনগণের মধ্যকার প্রীতির বন্ধনকেই আরও সুদৃঢ় করবে যা আগামীর পথচলাকে করবে আরও স্বচ্ছন্দ ও সমৃদ্ধ।
একটি সুন্দর ও শান্তিময় আগামীর প্রত্যাশায় যখন আমরা নতুন দিনের পথে পা বাড়াচ্ছি তখন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের এই অকুণ্ঠ সমর্থন আমাদের আত্মবিশ্বাসকে আরও বাড়িয়ে দেয়। সহযোগিতার এই হাত প্রসারিত থাকলে প্রতিটি জাতি তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌঁছাতে পারবে এবং মানবিকতার জয়গানে মুখরিত হবে আমাদের এই প্রিয় ভূখণ্ড।